বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও তথ্যে সমৃদ্ধের লক্ষ্যে....

  • S AhameD

    All Rights Reserved By S AhameD

  • Tips And Tricks

    All Rights Reserved By S AhameD

  • All Rights Reserved By S AhameD

    বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে বাংলাকে আরো সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে মেতে উঠুন প্রযুক্তির সুরে......

  • About Us

    All Rights Reserved By S AhameD

  • Contact Us

    Contact For further information and advice

Notice

ব্লগ উন্নয়নের কাজ চলছে... সবার আন্তরিক সহয়োগীতা একান্তভাবে কামনা করছি..
Showing posts with label Mobail Tips. Show all posts
Showing posts with label Mobail Tips. Show all posts

Tuesday, March 21, 2017

এন্ড্রয়েড মোবাইল Safe Mode এর বিস্তারিত ধারনা

এনাম শুনেই বুঝতে পারছেন Safe Mode এর বাংলা অর্থ। আপনারা সবাই জানেন Safe মানেই নিরাপদ/নিরাপত্তা। কিন্তু একটু খটকা লাগতে পারে এই যে এন্ড্রয়েড মোবাইলে Safe Mode টা আসলে কি? Safe Mode থাকলে এর সুবিধা-ই বা কি অথবা কিভাবে Safe Mode যাবেনচিন্তার কিছু নেইচলুন, আপনাদেরকে Safe Mode নিয়ে বিস্তারিত কিছু ধারনা দেয়ার চেষ্টা করছি।

আপনার যারা কম্পিউটার ব্যবহার করেন তারা ইতিমধ্যেই জানেন কম্পিউটারে সাধারনত যদি কোন সমস্যা দেখা দেয় তো কম্পিউটার অটোমেটিক Safe Mode এ রান করে। আর Safe Mode এ রান করলে কম্পিউটারের software জনিত সমস্যা গুলো দ্রুত সমাধান হয়ে যায়। এন্ড্রয়েড মোবাইলেও Safe Mode এ ঠিক একই রকম সুবিধা পাওয়া যায়। বিশেষ করে গেমস খেলার জন্য Safe Mode হচ্ছে সব চেয়ে নিরাপদসাধারণত আমরা যখন মোবাইল অন কর তখন মোবাইলের system apps সহ install করা সকল এপস-ই Open হয়, কিন্তু আপনি যখন আপনার মোবাইল safe mode এ open করবেন তখন শুধু মাত্র আপনার মোবাইলের system file গুলো রান করবে। Safe Mode অনেক নিরাপদ এবং সহজ একটি প্রক্রিয়া, এটাতে ঘাবরানোর কিছু নেই। যদি একবার আপনারা এটা বুঝতে পারেন, তাহলে আর কখনোই আপনারা Safe Mode নিয়ে ভয় পাবেন না।

এন্ড্রয়েড ভার্সন এবং বিভিন্ন মোবাইলের firmware এর উপর depend করে কিভাবে safe mode যাবেন। কিছু কিছু মোবাইলে যখন power button কয়েক সেকেন্ড চেপে ধরলেই লেখা আসে POWER OFF, REBOOT, SAFE MODE. তখন এই safe mode এ ক্লিক করলেই আপনার মোবাইল-টি safe mode এ রান করবে। আবার অনেক মোবাইলে এই অপশন-ই থাকেনা। তখন একটু অন্যভাবে আপনার safe mode এ মোবাইল রান করাতে হবে। আর একটা কথা বলে রাখি যদি কোন মোবাইল কোম্পানী সেই মোবাইলে safe mode এর কোন অপশন-ই না রাখে তাহলে কিন্তু আপনি ইচ্ছে করলেই safe mode এর যেতে পারবেন না। কিন্তু আপনার মোবাইলের যদি Power Button কয়েক সেকেন্ড চেপে ধরলে যদি safe mode অপশন না আসে তাহলে কিভাবে safe mode এ মোবাইল রান করবেন?

চলুন, আপনাদেরকে কিছু পদ্ধতি শিখিয়ে দিচ্ছি।

পদ্ধতি ১:

আপনার ফোনটি অফ করুনএরপর power button চেপে ফোনটি অন করুনফোন অন হবার সময় যখন বুট লোগো/Boot animation দেখবেন তখস সাথে সাথেই volume up (+) এবং volume down (-) বাটন এর যে কোন একটি চেপে ধরুন ফোন অন না হওয়া পর্যন্তকাজ না হলে শুধু মাত্র volume up (+) এবং volume down (-) বাটন চেয়ে ধরুন মোবা্ইল বন্ধ করে। কাজ হতে পারে, কারণ আগেই বলেছি একেক মোবাইলের সিস্টেম একেক রকম

পদ্ধতি ২:

উপরের প্রক্রিয়ায় কাজ না হলে শুধু মাত্র menu button চেপে দেখতে পারেনএই ক্ষেত্রে একটা কথা বলে রাখা ভালো মেনু বাটন আর হোম বাটন কিন্তু এক না, একটু খেয়াল রাখবেনসাধারণত Samsung এর মোবাইল গুলোতে একদম মাঝের যে বাটন থাকে সেট হলো Home button, আর home button এর ঠিক বাম পাশেই রয়েছে menu button. যদি মেনু বাটন touch responsive হয়, তাহলে যদি আলো একবার জ্বলে আবার নিভে যায় তাহলে সাথে সাথেই আবার touch ছেড়ে দিয়ে আবার মেনু বাটনে ক্লিক করে ধরে রাখতে হবে।

পদ্ধতি ৩:

কিছু কিছু মোবাইলে trackball আছে। বিশেষ করে google nexus এর মোবাইল গুলোতে। তখন শুধু মাত্র Trackball চেপে রাখলেই হবে।

মনে রাখতে হবে:

বুট লগো/Boot logo or animation আসার সাথেই সাথেই কিন্তু উপরের প্রক্রিয়া গুলো করতে হবে। ঠিক মত যদি টাইমিং না হয় তাহলে কিন্তু কাজ হবেনা। সে ক্ষেত্রে আপনাকে কয়েকবার চেষ্টা করে দেখতে হবে। কয়েকবার চেষ্টা করলেই এই বিষয়টা আয়ত্বে এসে যাবে।

Safe Mode  চেনার উপায়-

safe mode চেনা খুবই সহজমোবাইল অন হবার পর মোবাইলের ডিসপ্লে’র নিচের দিকে জল ছাপের মত লেখা থাকবে safe mode, শুধু তাই নয়, আপনি যথন মোবাইলের সেটিংসযাবেন, তখনো এই এক-ই লেখা দেখতে পাবেন। কিছু কথা বলে রাখা ভালো, যখন মোবাইল safe mode এর অন হবে তখন কিন্তু আপনার মোবাইলের install করা কোন এপস-ই পাবেন না। এত ভয় পাবেন না। কারণ safe mode এ Dafaul এপস ছাড়া কোন কিছু Show করবেনা। মোট কথা ফোন রিসেট দেয়ার পর ফোন ঠিক যে অবস্থায় থাকে ঠিক সেই অবস্থায় আপনার মোবাইলটি অন হবে।

কেন ব্যবহার করা হয়?

সাধারণত ফোনের Simple সমস্যার জন্য আমরা মোবাইল নিয়ে কাষ্টমার কেয়ারে চলে যাইআবার মাঝে মাঝে দেখা যায় টাচ অটো কাজ করছে। ফোন অনেক স্লো হয়ে গেছে। অনেক সময় দেখা যায় কিছু কিছু এপস অন করলেই লেখা আসে “unfortunately …..has closed” অথবা “Force Close”. তখন এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আমরা অনেক কিছুই করি। কিন্তু অনেক সময় কোন কিছুতেই কাজ হয়না। তখন আমাদেরকে Safe Mode এর আশ্রয় নিতে হয়। যারা এই গুলো বোঝে তারা Safe Mode এ গিয়ে সমাধানের চেষ্টা করেন আর যারা না বোঝেন তারা মোবাইল নিয়ে কাষ্টমার কেয়ার এ চলে যায়। আবার দেখা যায় যে System file এর সাথে সামাঞ্জস্য না থাকলে অনেক এপস- uninstall করা যায়না, তখন মোবাইল অনেক স্লো হয়ে যায় এবং মোবা্ইলে বার বার “unfortunately …..has closed” এই লেখা গুলো আসতে থাকে এবং আমাাদের নরমাল কাজ গুলো আমরা মোবাইলের করতে পারিনা। কিন্তু safe mode এ গিয়ে এই সমস্যা গুলো খুব সহজেই সমাধান করতে পারবো। যে কোন এপস আমরা খুব সহজেই Safe Mode গিয়ে uninstall করতে পারবো। যেহেতু Safe Mode এ সিস্টেম এপস ছাড়া কোন কিছু রান করবেনা, কাজেই যে কোন এপস খুব সহজেই uninstall করা যাবে। সেই ক্ষেত্রে যে সমস্ত এপসে “unfortunately …..has closed” অথবা “Force Close” লেখা আসে সেই এপস গুলো খুজে খুজে uninstall করতে হবে। এরপন ফোন নরমাল mode এ অন করলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

Safe Mode এ গেমস খেলার সুবিধা-

যদি মোবাইলে র‌্যাম/প্রসেসর কম থাকে সেই ক্ষেত্রে Safe Mode এ গেমস খেলার মজা সব চাইতে বেশি। কেননা, Safe Mode এ সিস্টেম এপস ছাড়া কোন এপস রান করেনা, তাই install করা কোন এপস background এ র‌্যাম শেয়ার করবেনা। তাই আপনার মোবাইলের প্রসেসর এবং র‌্যাম থাকবে পুরোটাই ফাকা। তাই যে সমস্ত গেমস গুলো র‌্যাম এবং প্রসেসর কম হলে Lag করে বা মোবাইল হ্যাং হয়ে যায় সেই মোবাইল গুলোতে Safe Mode এ গেমস খেলে অনেক মজা।

কিভাবে Safe Mode এ গেমস খেলবেন-

আপনাদেরকে আগেই বলেছি Safe Mode এ শুধু মাত্র সিস্টেম এপস গুলো রান করবে, ইনষ্টল করা কোন কিছু রান করবেনা বা মোবাইলের display/apps drawer এ দেখাবেনা। সেই ক্ষেত্রে কিভাবে আপনি Safe Mode এ গেমস খেলবেন?

যদি আপনি মোবাইলে কোন Launcher ব্যবহার করে থাকেন তাহলে Safe Mode এ মোবাইল রান করার পূর্বে মোবাইলের dafult Launcher এ ফিরে আসুনঅর্থাৎ মোবাইল কেনার সময় যে Launcher থাকে সেই Launcher এ ফিরে যানএখন যে গেমস গুলো Safe Mode এ খেলতে চান সে গুলো আপনার মোবাইলের Display তে নিয়ে আসুনএইবার আপনার মোবাইল Safe Mode এ রান করুনদেখবেন যে গুলো মোবাইলের Display-তে ছিল সেগুলো রযেছে। এইবার ইচ্ছা মত গেমস খেলুন

আপনি যদি রুট ইউজার হন তাহলে যে কোন গেমস কে সিস্টেম এপস বানিয়ে Safe Mode গিয়ে গেমস খেলতে পারবেনতখন আর নতুন করে Default Launcher এ গিয়ে মোবাইলের Display তে কোন গেমস রাখতে হবেনা। কারণ Safe Mode এ গেলে আপনি শুধু মাত্র মোবাইলের সিস্টেম এপস গুলোই দেখতে পাবেন

Safe Mode থেকে Normal Mode এ যাওয়ার নিয়ম:

সাধারণত Safe Mode থেকে Normal Mode এ ফিরে যেতে হলে ফোন re-start করলেই হবে। আর যদি কাজ না হয় তাহলে ফোন অফ করে ব্যাটারি কয়েক সেকেন্ড খুলে রেখে আবার লাগানএরপর মোবা্ইল অন করুন। Normal Mode এ অন হবে আপনার মোবাইলে। কিন্তু এরপরেও যদি কাজ না হয় তাহলে কি করবেন? ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আপনি যে ভাবে Safe Mode এ গিয়েছেন ঠিক একই প্রকিয়ায় আপনি Normal Mode এ ফিরে আসতে পারবেনঅর্থাৎ ফোনের Safe Mode এ যাওয়ার জন্য আপনি যা করেছেন Normal Mode এ ফিরে যেতেও ঠিক এক-ই কাজ করতে হবে।

Safe Mode সম্পূর্ণ নিরাপদ একটি প্রক্রিয়া। তবে Safe Mode থেকে Normal Mode এ ফিরে গেলে আপনার মোবাইলে আগে যে অবস্থায় ছিলো সে রকম থাকবেন। মনে করুন আপনি কোন লঞ্চার ইউজ করতেন, সেটা আর থাকবেনা। সেটাকে নতুন করে সেটিং করে নিতে হবে। এপস কিন্তু ডিলিট হবেনা। আপনাকে শুধু মাত্র Launcher নতুন করে সেটিং করে নিতে হবে।

কিছু কথা বলে রাখা ভালো, Safe Mode এর নাম শুনে ভয় পাবেন না। এটা খুবই সাধারণ একটি প্রক্রিয়া। তবে যে কোন এপস Install করার পর যদি দেখেন “unfortunately …..has closed” অথবা “Force Close” এই লেখা গুলো আসে, তখন সাথে সাথেই সেই এপস গুলো uninstall করে নেবেন

Share:

নিরাপদে রাখুন আপনার মোবাইল ফোন

মোবাইল ফোন বর্তমানে আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে বিভিন্ন সময়ে এটিই নানা বিড়ম্বনার কারন হয়ে দাঁড়ায়।

যুক্তরাষ্ট্রের ডিভাইস রিপেয়ারিং প্রতিষ্ঠান iFix কিছু টিপস তুলে ধরেছে ব্যবহারকারীদের জন্য। প্রিয় পাঠকদের জন্য আজ তুলে ধরা হলো সেগুলো।

১. নিম্নমানের ব্যাটারি থেকে দূরে থাকুনঃ সম্প্রতি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৪ মোবাইলের দুর্ঘটনার জন্য ব্যাটারি পরিবর্তনকেই দায়ী করা হয়। কেননা, কেনার পর এর ব্যাটারি পরিবর্তন করেছিলেন ফোনের মালিকআর এই ব্যাপারে সতর্ক করেছে আইফিক্সতাদের মতে, অরিজিনাল ব্যাটারি যেসব নিয়ম মেনে চলে, নকল বা নিম্নমানের ব্যাটারিতে কখনোই সেটি থাকে না।

এছাড়া নিম্নমানের ব্যাটারি ব্যবহারের ফলে চার্জ সংক্রান্ত সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক সময় অল্প কিছু সময় ব্যবহারের পর মোবাইল গরম হয়ে পড়তে পারে। আর তাই এসব সমস্যা এড়াতে সবসময় ব্যবহার করুন মানসম্পন্ন ব্যাটারি।

২. চার্জ দেওয়া অবস্থায় ফোন খোলামেলা জায়গায় রাখুনঃ চার্জ দেওয়া অবস্থায় কখনোই আপনার মোবাইল বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস বালিশ বা অন্য কিছু দিয়ে চেপে রাখবেন না। চার্জ দেওয়ার সময় মোবাইল ফোনে অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হতে পারে। আর এই অবস্থায় মোবাইল ফোন ঢেকে রাখলে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি থাকে। আর তাই ঝামেলা এড়াতে সবসময় খোলামেলা স্থানে মোবাইল চার্জ দিন

৩. মোবাইল ফোন ভিজে গেলে করনীয়ঃ ফোন ভিজে গেলে কিংবা ফোনে পানি প্রবেশ করলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেটি সারিয়ে তোলা সম্ভব। তবে এরপরও সমস্যা থেকে যেতেই পারে। আর এর ফলে ফোনের অভ্যন্তরে শর্ট সার্কিটের মত ঘটনা ঘটতে পারে। ফলে পরবর্তীতে যে কোন দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থেকে যায়।

৪. চার্জ দেওয়ার সময় খুব বেশি ব্যবহার করা যাবে নাঃ আমরা যখন ফোন ব্যবহার করি, তখন এতে তাপ উৎপন্ন হয়। আবার চার্জ দেওয়ার সময়ও তাপ উৎপন্ন হয়। ফলে চার্জ দেওয়ার সময় আপনি যদি আপনার ফোনে খুব বেশি কাজ করেন, তাহলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি গরম হয়ে যেতে পারে আপনার ফোনবিশেষ করে এই সময় গেম খেললে কিংবা ওয়াইফাই ব্যবহার করলে কিংবা খুব দুর্বল নেটওয়ার্ক সিগন্যালে ফোন করার চেষ্টা করলে। কারন এই কাজগুলোতে প্রয়োজনের থেকেও বেশি কাজ করতে হয় মোবাইল ফোনের। ফলে আপনার ফোন অতিরিক্ত তাপ নিঃসরণ শুরু করতে পারে।
    আর এর ফলে মোবাইল ব্যাটারির উপর বাড়তি চাপ পড়ে। ফলে চার্জ হতে বেশি সময় লাগে, ব্যাটারির স্থায়িত্ব হ্রাস পায় এবং একই সাথে ব্যাটারি চার্জারেরও ক্ষতি হতে পারে। আর তাই আপনি কাজ করার সময় যদি দেখেন ফোন বেশ গরম হয়ে যাচ্ছে, তাহলে অবশ্যই সেটি রেখে দিন। তবে বালিশের নিচে রাখবেন না যেন !

৫. ফোন মেঝেতে পড়ে গেলে করনীয়ঃ অনেক সময় আমাদের হাত থেকে কিংবা অন্য কোনভাবে মাটিতে পড়ে যায় আমাদের প্রিয় মোবাইল ফোনটি। আর এরপর আমরা প্রথমেই দেখি ফোনটি অন হচ্ছে কিনা। অন হলে ধরে নিই কোন সমস্যা হয়নি। তবে আমাদের এই ধারণা একেবারেই ভুল। কেননা বাইরের অংশে কোন ক্ষতি না হলেও অনেক সময় ভেতরের বিভিন্ন কমপোনেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিভিন্ন যন্ত্রাংশে ফাটল ধরার মত ঘটনাও ঘটতে পারে, ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ব্যাটারিও

আর তাই এমন ঘটনা ঘটলে পরবর্তীতে যেকোন দুর্ঘটনা এড়াতে আপনার ফোনটিকে একবার চেক আপ করিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আইফিক্স

মোবাইল ফোন ব্যবহারে সতর্কতা-

মোবাইল ফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। আধুনিক ব্যস্ততম জীবনে মোবাইল ফোন ছাড়া একটি দিনও ভাবা যায় না। কিন্তু এই মোবাইল ফোনের ব্যবহারেই সৃষ্টি হতে পারে কিছু সমস্যারক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে আমাদের ত্বকতাই সেসব সমস্যা সমাধানে সতর্ক থাকতে হবে নিজেকেই

যারা দীর্ঘসময় রাত জেগে ফোন ব্যবহার করেন যার জন্য আপনার চোখের চারপাশে দেখা দেয় ডার্কসার্কেল। আপনি যদি রাতে ঠিক মতো না ঘুমান তার প্রভাব চেহারায় পরে ও ত্বক দেখায় নিষ্প্রাণ এবং চোখের চারপাশ ফুলে যায়। তাই রাতে সঠিক সময়ে ঘুমাতে যান এবং ফোন বিছানার আশেপাশে না রেখে দূরে রাখুন

ফোনে অনেক ময়লা থাকে যার থেকে এটিতে জার্ম এবং ব্যাকটেরিয়া আক্রমন ঘটে যার কারণে ত্বকে দেখা দেয় লাল বর্ণের রেশ সমস্যা। তাই প্রতিদিন ফোন পরিষ্কার করুন

ফোন দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করার কারণে খুব গরম হয়ে যায় যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকরফোনের গরম তাপ ত্বকের মেলানিন উৎপাদনে বাঁধা দিয়ে থাকে এবং ত্বকে দেখা দেখা দেয় অপ্রত্যাশিত কালো দাগ

ফোনের কেসগুলো তৈরি করা হয় নিকেল, কোবাল্টক্রোমিয়াম জাতীয় ধাতব পদার্থ দিয়ে। ফোনের এই ধাতু গুলো ত্বকের এলার্জি সমস্যা বাড়িয়ে দেয় ত্বক লাল বর্নের হয় এবং ফোস্কাও দেখা দেয়।

Share:

স্মার্টফোন গরম হলে কি করবে...

বাজারে এখন স্মার্টফোনের ছড়াছড়ি। শতাধিক ব্রান্ডের এসব স্মার্টফোন দিন দিন দাম কমছে। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নিত্য-নতুন সমস্যা। ডিসপ্লে, ব্যাটারি নিয়ে সমস্যার পাশাপাশি স্মার্টফোনের একটি বহু পরিচিত সমস্যা হল ‘হিটিং ইস্যু’৷

কিছুক্ষন ইন্টারনেট সার্ফিং করার পর বা কথা বলার পর স্মার্টফোন গরম হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে মাইক্রোম্যাক্স, সোনি, ওয়ান প্লাস, লেনোভো, শাওমি, ইউফোরিয়ার মতো স্মার্টফোনের মডেল অল্প ব্যবহারেই গরম হয়ে যাচ্ছে বলে বহু অভিযোগ জমা পড়ছে সংস্থাগুলির দফতরে।

আপনার সাধের স্মার্টফোনেও কি এই সমস্যা হচ্ছে? তাহলে জানুন, কী করলে এই সমস্যার হাত থেকে মুক্তি মিলবে-

১. লোকেশন ও ব্লু-টুথ ফাংশন বন্ধ করুন৷ স্মার্টফোনের ‘সেটিংস’ অপশনে গিয়ে লোকেশন ‘ডিসেবল’ করে দি।৷ ফাইল ট্রান্সফার করা হয়ে গেলে বন্ধ করে দিন ব্লু-টুথও। লোকেশন সেটিংস ‘অন’ থাকলে আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি খরচ হয় ও স্মার্টফোন গরম হতে শুরু করে।

২. বেশিক্ষণ ইন্টারনেট সার্ফিং করতে হলে ‘থ্রি-জি’ বা ‘ফোর-জি’ পরিষেবা ব্যবহার করুন। ‘টু-জি’ ইন্টারনেট পরিষেবা আপনার স্মার্টফোনের টাওয়ার সিস্টেমকে আরও কাজ করতে বাধ্য করে বলে ফোন বেশি গরম হয়।

৩. একসঙ্গে বহু অ্যাপস ব্যবহার করবেন না। কম দামি ফোনে একসঙ্গে ৪-৫ টি অ্যাপস চালু রাখলে ‘প্রসেসর’ গরম হতে থাকে। যার ফলে ফোন গরম হয়ে ওঠে।

৪. স্মার্টফোনে যত অ্যাপস রয়েছে-সেগুলি আপডেটেড রয়েছে কি না, ভাল করে দেখে নিন। অ্যাপস-এর আপডেটেড ভার্সনে সমস্যা কম থাকে। ফোনও ভাল থাকে, গরম হয় না।

৫. নকল ব্যাটারি ব্যবহার করবেন না।

৬. প্রয়োজন না পড়লে ফোনের ওয়াই-ফাই বন্ধ রাখুন।

৭. যে অ্যাপস দরকার নেই, জলদি ‘আন-ইনস্টল’ করুন।

৮. হাই গ্রাফিক্স ইনটেনসিভ গেমস বেশিক্ষণ খেললে ফোন গরম হবে। স্মার্টফোনকে ঠান্ডা রাখতে তাই বেশিক্ষণ গেমস খেলবেন না।

৯. যেখানে নেটওয়ার্ক নেই, সেখানে বারবার নেটওয়ার্ক ‘ম্যানুয়ালি’ সার্চ করলে ফোন গরম হয়। তাই যখন ফোনে নেটওয়ার্ক পাবেন না, ‘অটোমেটিক’ মোড অন করুন।

১০. চার্জে বসিয়ে স্মার্টফোন ব্যবহার করবেন না। এই নিয়মটি আপনাকে মেনে চলতেই হবে। কারণ, ফোন চার্জে বসিয়ে গেমস খেললে বা ভিডিও দেখলে ফোনের প্রসেসরে অত্যাধিক চাপ পড়ে। এতে ফোনের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি হয়। ফোন সহজেই গরম হয়ে ওঠে।

Share:

স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হওয়ার কারন সমূহ-

স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হওয়ার কারন সমূহ-

প্রসেসরঃ স্মার্টফোন গরম হওয়ার জন্য প্রথম যে দায়ী তা হলো প্রসেসরপ্রসেসর আপনার ফোন এর প্রধান অঙ্গ সরূপ। যে আপনার ফোন এর প্রতিটি কাজ করে থাকে। আপনি ফোন ব্যবহার করেন আর নাই বা করেন প্রসেসর কিন্তু সবসময় চলতে থাকে এবং তার কাজ করতে থাকে। আর এই প্রসেসর নির্মাণ করা হয় অর্ধপরিবাহী পদার্থ দিয়ে। এবং এর ভেতর অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র  ইলেকট্রন থাকে। যখন প্রসেসর তার কাজ করে তখন এই ইলেকট্রন গুলো এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় দৌড়াদৌড়ি করে (সহজ ভাষায়)। এবং এই দৌড়াদৌড়ি করার সময় ইলেকট্রন গুলো নিজেদের ভেতর সংঘর্ষ ঘটায় এবং তাপ উৎপাদন করে। অর্থাৎ আপনার প্রসেসর যত বেশি কাজ করে তাপ ও ততো বেশি উৎপাদন হয়। আপনি যদি কম কাজ করেন, যেমন ধরুন শুধু ফোন এ কথা বলছেন, কিংবা মিউজিক শুনছেন তবে আপনার ফোনটি কম গরম হবে। কিন্তু মনে করেন আপনি গেম খেলছেন এবং একসাথে ইন্টারনেট থেকে কোনো ফাইলডাউনলোড করছেন, তবে স্বাভাবিক ভাবেই আপনার ফোন এর প্রসেসর কে বেশি কাজ করতে হবে এবং যার ফলে বেশি গরম হবে আপনার স্মার্টফোনটি। আজকাল কার স্মার্টফোন গুলো দিন এর পর দিন চিকন হয়ে যাচ্ছে। এখন প্রসেসর এর দ্বারা উৎপন্ন তাপ আপনার ফোনটি চিকন হওয়ার কারনে বের হতে পারে না। এবং লক্ষ করলে দেখা যাবে যে আপনার ফোন এর প্রসেসরটি ফোন বডির সাথেই লেগে থাকে, যার ফলে খুব তারাতারি এবং অত্যাধিক গরম অনুভূত হয়।

অত্যাধিক লোডঃ আমি আগেই বলেছি অত্যাধিক লোড ফেললে আপনার ফোনটি দ্রুত এবং বেশি গরম হবে। স্বাভাবিক কাজ যেমন ফোন এ কথা বলা, এসএমএস সেন্ড করা বা গান শোনার মত ছোট কাজকম গরম হবে আপনার ফোনটি। কিন্তু আপনি যখন অনেক গুলো কাজ এক সাথে করবেন বা কোনো বড় কাজ করবেন তখন আপনার ফোনটি অত্যাধিক লোড এর সম্মক্ষিন হবে এবং স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হবে।

ব্যাটারিঃ স্মার্টফোন গুলো দিনদিন চিকন হয়েই চলছে। কিন্তু ব্যাটারি প্রযুক্তিতে তেমন একটা বিশেষ উন্নতি আনা হচ্ছে না। তারপর ফোনটি অনেক চিকন হওয়ার কারনে  যন্ত্রপাতি গুলোর একে অপরের মধ্যে খুব বেশি দূরত্ব থাকে না। ব্যাটারি চার্জ বা ডিসচার্জ হওয়ার সময় কম বেশি গরম হয়েই থাকে। আর যন্ত্রপাতি গুলোর একে অপরের মধ্যে খুব বেশি দূরত্ব না থাকার ফলে এই ব্যাটারির গরম সব দিকে ছড়িয়ে পরে এবং আপনার স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হয়ে পরে।

পরিবেষ্টিত তাপমাত্রাঃ স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম, হওয়ার আরেকটি বড় কারন কিন্তু পরিবেষ্টিত তাপমাত্রা হতে পারে। সাধারন ভাবে গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের তাপমাত্রা ৩৫-৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়ে যায়। এই পরিবেশে আপনি ঘরে বসে থাকলেও আপনার আসেপাশের তাপমান থাকে প্রায় ৩৫-৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসআর এই তাপমান এর ভেতর আপনি স্মার্টফোন ব্যবহার করলে এটি আরো তাড়াতাড়ি গরম হয়ে পরবে।

দুর্বল নেটওয়ার্ক সিগনালঃ মনে করুন আপনি এমন এক জায়গায় আছেন, যেখানে নেটওয়ার্ক সিগনাল খুব দুর্বল। অথবা আপনার ওয়াইফাই সিগনাল অনেক কষ্টে আপনার স্মার্টফোন অবধি আসছে। এই অবস্থায় আপনার স্মার্টফোন এ বেশি চার্জ খরচ হয়। দুর্বল নেটওয়ার্ক সিগনাল পাওয়ার জন্য আপনার ফোনটি অ্যান্টেনাতে বেশি পাওয়ার প্রয়োগ করে, যাতে ফোনটি ভালো সিগনাল ধরতে পারে। এতে স্মার্টফোনটির প্রসেসরকে অনেক বেশি কাজ করতে হয়। এবং স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হয়ে পরে।

Share:

Search This Blog

S AhameD. Powered by Blogger.

Contact Form

Name

Email *

Message *

Wikipedia

Search results

Translate

Labels

Recent Posts

Unordered List

Pages

Theme Support