বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও তথ্যে সমৃদ্ধের লক্ষ্যে....

Notice

ব্লগ উন্নয়নের কাজ চলছে... সবার আন্তরিক সহয়োগীতা একান্তভাবে কামনা করছি..

Monday, March 20, 2017

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ব্যসিক

হার্ডওয়্যার ব্যসিক

একটি কম্পিউটারকে সাধারনত দুটি ভাগে ভাগ করা যায় যথা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারহার্ডওয়্যার হল সেই সব অংশ যা দৃশ্যত এবং ছোঁয়া যায়, যার কাঠামো আছে। কম্পিউটার হার্ডওয়্যার হল কম্পিউটারের সেইসকল অংশ যেগুলো ছোঁয়া যায়, দেখা যায় যেমন মনিটর, মাউস, কেসিং, মাদারবোর্ডইত্যাদি।কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের বিভিন্ন প্রকার যন্ত্রাশ দিয়ে একটি পারসোনাল কম্পিউটার তৈরি হয়। 

কম্পিউটারের হার্ডওয়ারের এর শ্রেণীবিন্যাসঃ

কর্ম কৌশলের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারের Hardware কে তিন শ্রেণীতেবিন্যস্ত করা হয়যেমন-

Input DeviceC.P.UOutput Device

1. Input Device: ইনপুট ডিভাইস

যে সমস্ত হার্ডওয়ার ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারের তথ্যাবলী বা নির্দেশনাপ্রেরণ করা যায় সেই সমস্ত হার্ডওয়্যার ডিভাইসকে বলে ইনপুট ডিভাইসযেমন : কিবোর্ড, মাউস ইত্যাদি।

2. CPU (wmwcBD)[Central Processing Unit]

 সিপিইউ হলো কম্পিটারের সিস্টেম ইউনিটের মধ্যেবিদ্যমান সিলিকন বিশেষ। সিপিইউতে কম্পিউটারের সমস্তকার্যকলাপ হয়ে থাকে। সিপিউ মানে প্রেসসর কেই বলাহয়প্রেসসর তিন্টি কম্পানি তৈরি কের থাকে তার মধ্য Intel সবেচয়ে জনপ্রিয়এছারা AMD ও অনেকে ব্যবহার করে থাকে।

3. Output device: Input devices এর মাধ্যমে কম্পিউটারে তথ্য পেরণেরফলে কম্পিউটার উক্ত তথ্য প্রক্রিয়াকরনের সুযোগ পায়।প্রক্রিয়া সম্পন্নকরার পরে প্রক্রিয়াকরন ফলাফল যে সমস্ত হার্ডওয়্যার উপাদানের মাধ্যমেপাওয়া যায় সেই সমস্ত হার্ডওয়্যার উপাদানকে বলে আউটপুট ডিভাইসযেমন:- মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, প্রজেক্টর ইত্যাদি।

Device: Device আর্থ কৌশল বা পরিকল্পনা । অর্থাৎ যে কৌশলে বা যে উপায়ে কম্পিউটার আমাদের দেয়া তথ্য সি.পি.ইউ তে পেরন করে, সেই বা কৌশল উপায়কে বলে ডিভাইসডিভাইস দু’ধরনের ।যেমন :

 ১. ইনপুট ডিভাইস

 ২. আউটপুট ডিভাইস

Mouse: মাউস কম্পিউটারের একটি বিকল্প ইন্পুট ডিভাইস । মাউস শব্দের সাথে আমরা সকলেই পরিচিত । আকৃতিতে এটা দেখতে ইদুরের মতই । হয়তো তামাশা করে কম্পিউটারে এরকম শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। মাউস দ্বারা কারসর নিয়ন্ত্রন দ্রুতসহজ

Keyboard: কীবোর্ড কম্পিউটারের অন্যতম ইনপুট ডিভাইস। কম্পিটারে লেখা পাঠাতে এবংকমান্ড প্রেয়োগ করতে কীবোর্ড ব্যবহৃত হয়।  

Monitor: মনিটর কম্পউটারের অন্যতম আউটপুট ডিভাইসইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে নির্দেশনা প্রয়োগের ফলে সি.পি.ইউ-তে তা প্রক্রিয়াজাত হয়ে ফলাফল প্রর্দশিত হয় মনিটরে। মনিটরে প্রর্দশিত আউটপুটকে বলে soft output এই soft output প্রয়োজনে সংশোধন বা পরির্বতন বা পরির্বধন করা যায়

Printer: প্রিন্টার কম্পিউটার এর একনি অন্যতম আউটপুট ডিভাইসইন্পুট ডিভাইসের মাধ্যমে তথ্যসমূহ কম্পিউটারে ইন্পুট দেয়ার ফলে সিপিইউতে তা প্রক্রিয়াজাত হয়ে ফলাফল ডিক্সে জমা হয়তারপর ফলাফল মনিটরে প্রর্দশীত হয়। মনিটরে প্রর্দশীত ফলাফল কাগজে প্রিন্ট করার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করতে হয়প্রিন্টারের মাধ্যমে প্রন্টকৃত আউটপুটকে বলে Hardoutput

Disk Driver: আমরা জানি যে ডিক্স তথ্য ভান্ডার। ডিক্সে যে মাধ্যমে তথ্যাবলী প্রবেশ করানো হয় তাকে বলে ড্রাইভারঅর্থাৎ একটি গুদামের দড়জা দিয়ে যেমন মাল পত্র ঢুকানো হয় তেমনি ডিক্সর ক্ষেত্রে ড্রাইভার দড়জার ন্যায় ভূমিকা পালন করে। অর্থাৎ বলা যায়, Disk চালানোর জন্য যে ড্রাইভার ব্যবহার করা হয় উহাকে Disk Driver বলে.  

 Disk Driver দুই প্রকারযেমন:

      1. Hard Disk Drive

      2. Floppy Disk Drive

Hard Disk কে পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত Drive কে বলে Hard Disk Drive (HDD) এবং Floppy Disk কে পরিচালনার জন্য যে Drive ব্যবহৃত হয় তিকে বলে Floppy Disk Drive (FDD) ফ্লপি ডিক্স এখন আর ব্যবহৃত হয়না । এটারমাধ্যমে পূবে ডাটা স্থানান্তর করার কাজ করা হতো এর মধ্য ১.৪ মেগাবাইট মেমরি পাওয়া যেতো । আমরা বর্তমানে পেনড্রাইভ এর মাধ্যমে ডেটা স্থানান্তকরেথাকি।

Hard Disk Drive: হার্ড ডিক্স কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ন উপাদানসিস্টেম ইউনিটের মধ্য হার্ড ডিক্স ডেটা ক্যাবলের সাহায্য মাদার বোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে।ইন্পুট ডিভাইস এর মাধ্যমে ইন্পুটকৃত তথ্য প্রক্রিয়া জাত হয়ে হার্ড ডিক্সে জমা করা হয়হার্ড ডিক্স খুব নির্ভরযোগ্য ।এটা সহজে নষ্ট হয় না। কোন কারনে নষ্ট হলে এতে জমাকৃত তথ্য নষ্ট হয়তাই হার্ড ডিক্সের তথ্য প্রত্যহ ব্যাকআপ রাখতে হয়

Card: কার্ড কম্পিউটারের একটি হার্ডওয়ার উপাদানকম্পিউটারের বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের ইলেক্ট্রনিক্স সার্কিট বোর্ড ব্যবহার করেত হয়। এগুলিকে কার্ড বলে। যেমন: নেটওয়ার্ক কার্ড, মডেম, টিবি কার্ড, এজিপি কার্ড ইত্যাদি।

CD: সিডি কম্পিউটারের একটি হার্ডওয়্যার উপাদানএর ব্যবহার হার্ড ডিক্স এর মত। তবে হাডি ডিক্স অপেক্ষা অনেক বেশী মজবুতটিকসই। CD তে যে কোন ডেটা, অডিও, ভিডিও, গেইম ইত্যাদি রাইট করে প্রায় ১০০০ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। কম্পিউটারে CD ব্যবহার করার জন্য CD ড্রাইব ব্যবহার করেত হয়। আমরা CD তে 700 MB মেমরি পয়ে থাকি।

Modem: মডেম কম্পিউটারের একটি হার্ডওয়্যার উপাদানকম্পিউটার থেকে অন্যত্র তথ্য প্রেরনগ্রহন প্রেরণগ্রহণের জন্য মডেম ব্যবহৃত হয়এজন্য মডেমকে টেলিফোনকম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করাতে হয় এজন্য মডেমকে টেলিএফোন লাইনকম্পিউটারের সংযুক্ত করতে হয়আধুনিক ইন্টারনেট ব্যবস্থায় মডেম জনপ্রিয় একটি উপাদানইন্টারনেটের সাহায্যে ফ্যাক্স, ই-মেইল, ভয়েস মেইল ইত্যাদির জন্য মডেম ব্যবহারের কোন বিকল্প নাইমডেম এক্সটারনালইন্টারনাল হয় । বাজারে বিভিন্ন গতি সম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়

Speaker: স্পিকার কম্পিউটারের একটি হার্ডোয়্যার উপাদান । স্পিকারকে বলে আউটপুট ইউনিটস্পিকারের সাহায্যে কম্পিউটার থেকে গান, বাজনা উত্যাদি শুনা যায়আধুনিক কম্পিউটারে স্পিকার এরকটি অবিচ্ছেদ্য উপাদান হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয় । বাজারে বিভিন্ন মডেলের বিভিন্ন ক্ষমতা সম্পন্ন স্পিকার পাওয়া যায়

Ploterপ্লটার হলো প্রিন্টারের মতো কম্পিউটারের একটি আউটপুট উপাদান । প্লটারে লেখার  পরিবর্তে প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির আউটপুট সংরক্ষণ করা যায়

Joystick: কম্পিউটারের অপর একটি ইনপুট ডিভাইস হলো জয়স্টিকজয়স্টিকের কাজ মাউসের মত । তবে এর সাহায্যে খুব দ্রুত কারসর স্থানান্তরিত করা যায় । এটা গেম খেলার জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়

Scanerস্ক্যানার হলো কম্পিউটারের একটি ইনপুট ডিভাইসএর সাহায্যে লেখা, ছবি ইত্যাদি হুবহু কম্পিউটারে ইনপুট দেয়া যায়বিশেষ করে গ্রাফিক্যাল ইমেজেকে কম্পিউটারে ইনপুট দেয়ার জন্য স্ক্যানারের বিকল্প নাই । বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডেরমডেলের, বিভিন্ন গুনগত মান সম্মন্ন স্ক্যানার পাওয়া যায়

Touch Screen: Touch Screen হলো একটি Non-keyboard /Non-Mouse Input Device. যাকে Computer পরিচালনার জন্য বিশেষ পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহার করা হয় । Touch Screen এর Display Unit এর উপর সরাসরি আঙ্গুলের স্পর্শ দ্বারা Computer পরিচালনার কার্য সম্পাদন করা যায়

DVD: CD-Rom এর পরবর্তী উন্নত সংস্করণ হিসাবে বাজারে আসে DVD।DVD কে দুইভাবে সজ্ঞায়িত করা যায়। প্রথমদিকে পূর্ণ দৈর্ঘ্য চলচিত্র ডিক্সে ধারণ করার পরিকল্পনা করা হয়তখন এর নাম দেয়া হয় Digital Video Disk । পরবর্তীতে এতে টেকসই সফটওয়্যার বিভিন্ন ধরনের তথ্যাবলি অডিও এবং অডিও যুক্ত ভিডিও ডেটা সংরক্ষনরর পরিকল্পনা করা হয় এবং এতে ব্যপক ব্যপক সুবিধা পাওয়ার ফলে এ প্রযুক্তি পরিবর্তন করে এর নাম রাখা হয় ।Digital Versatile Disk (DVD. এ সকল ডিক্সে ডেটা ধারন ক্ষমতা 4.7 GB.

Pen Drive: এটা বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় ও সহজে বহনযোগ্য একটি ডিভাইস মাঝারি এর যে কো তথ্য বা ডকুমেন্ট সহজে এককম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তর করা যায়কম্পিউটারের ইউএসবি পোর্টে পেন ড্রাইব ব্যবহার করতে হয়।বাজারে বিভিন্ন ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন পেন ড্রইব পাওয়া যায়। বর্তমানে পাওয়া যায় 16 GB, 10GB, 8 GB, 4Gb ইত্যাদি আকারে পাওয়া যায়

Share:

0 comments:

Post a Comment

Search This Blog

S AhameD. Powered by Blogger.

Contact Form

Name

Email *

Message *

Wikipedia

Search results

Translate

Blog Archive

Recent Posts

Unordered List

Pages

Theme Support